Skip to content

অংশ ৯: রিটার্ন, বিবরণী এবং দলিলাদি · প্রথম অধ্যায়: রিটার্ন এবং বিবরণী

ধারা ১৬৭ — পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল

Income Tax Act, 2023 · Section 167

আইনের মূল পাঠ

১৬৭। (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, প্রত্যেক স্বাভাবিক ১[ব্যক্তি] করদাতা আবশ্যিকভাবে পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিবেন, যদি উক্ত ব্যক্তি-

(ক) আয়বর্ষের শেষ তারিখে ২[৫০ (পঞ্চাশ)] লক্ষ টাকার অধিক মোট সম্পত্তির মালিক হন; বা

(খ) আয়বর্ষের যেকোনো সময় কোনো মোটরযানের মালিক হন; বা

(গ) সিটি কর্পোরেশন এলাকার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে গৃহ সম্পত্তি বা অ্যাপার্টমেন্টে বিনিয়োগ করেন; বা

(ঘ) আয়বর্ষের কোনো সময়ে বিদেশে কোনো পরিসম্পদের মালিক হন; বা

(ঙ) কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক হন:

তবে শর্ত থাকে যে, ৩[***] সকল গণকর্মচারী আবশ্যিকভাবে পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিবেন।

(২) প্রত্যেক নিবাসী বাংলাদেশি স্বাভাবিক ৪[ব্যক্তি] করদাতা তাহার রিটার্নে বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত সকল প্রকার পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিবেন।

(৩) প্রত্যেক অনিবাসী বাংলাদেশি স্বাভাবিক ৫[ব্যক্তি] করদাতা তাহার রিটার্নে বাংলাদেশে অবস্থিত সকল প্রকার পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিবেন।

(৪) এইরূপ প্রত্যেক বিদেশি স্বাভাবিক ৬[ব্যক্তি] করদাতা যিনি বাংলাদেশি নহেন তাহার রিটার্নে বাংলাদেশে অবস্থিত সকল প্রকার পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিবেন।

(৫) কোনো স্বাভাবিক ৭[ব্যক্তি] করদাতার জন্য উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী পূরণ বাধ্যতামূলক না হইলেও, তিনি স্বেচ্ছায় পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিতে পারিবেন।

(৬) কোনো স্বাভাবিক ৮[ব্যক্তি] করদাতার পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী বা নাবালক সন্তানের পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণীও দাখিল করিতে হইবে যদি তাহাদের পৃথক টিআইএন না থাকে।

৯[(৭) উপকর কমিশনার, লিখিত নোটিশ দ্বারা, কোনো ব্যক্তিকে যেকোনো আয়বর্ষের অথবা দাখিলকৃত রিটার্নের পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিতে বলিতে পারিবেন, যদি-

(ক) উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল না করিয়া থাকেন; বা

(খ) উক্ত করদাতার সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের করদায় নির্ধারণের জন্য উক্ত পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী আবশ্যক বলিয়া উপকর কমিশনারের নিকট প্রতীয়মান হইয়া থাকে; বা

(গ) উক্ত ব্যক্তি ত্রুটিপূর্ণ বা অসম্পূর্ণ পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিয়াছেন বলিয়া উপকর কমিশনারের নিকট প্রতীয়মান হয়।]

১০[(৮) উপ-ধারা (৭) এর নোটিশের প্রেক্ষিতে কোনো ব্যক্তি উল্লিখিত পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিলে ব্যর্থ হইলে দাখিলকৃত রিটার্নটি অসম্পূর্ণ রিটার্ন বলিয়া গণ্য হইবে।]

সংশোধনী টীকা

  1. ১২০২৪–২৫“ব্যক্তি” শব্দটি “স্বাভাবিক” শব্দটির পর অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  2. ২২০২৪–২৫“৫০ (পঞ্চাশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দটি “৪০ (চল্লিশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দটির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  3. ৩২০২৪–২৫“এই উপ-ধারার শর্তাবলি পালন সাপেক্ষে” শব্দগুলি অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(গ) ধারাবলে বিলুপ্ত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  4. ৪২০২৪–২৫“ব্যক্তি” শব্দটি “স্বাভাবিক” শব্দটির পর অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  5. ৫২০২৪–২৫“ব্যক্তি” শব্দটি “স্বাভাবিক” শব্দটির পর অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  6. ৬২০২৪–২৫“ব্যক্তি” শব্দটি “স্বাভাবিক” শব্দটির পর অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  7. ৭২০২৪–২৫“ব্যক্তি” শব্দটি “স্বাভাবিক” শব্দটির পর অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  8. ৮২০২৪–২৫“ব্যক্তি” শব্দটি “স্বাভাবিক” শব্দটির পর অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ৫৭(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  9. ৯২০২৬–২৭উপ-ধারা (৭) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৯৪(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  10. ১০২০২৬–২৭উপ-ধারা (৮) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৯৪(খ) ধারাবলে সংযোজিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।

সহজ ভাষায় বুঝুন

মেন্টরের নোট · Unidara Associates

কোন কোন ব্যক্তিকে রিটার্নের সাথে পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী (Statement of Assets and Liabilities) দিতে হবে, তা এই ধারায়। বছর শেষে নিট সম্পত্তি ৫০ লক্ষ টাকার বেশি, গাড়ি আছে, সিটি কর্পোরেশনে বাড়ি বা ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ, বিদেশে সম্পদ, বা শেয়ারহোল্ডার পরিচালক হলে এটা বাধ্যতামূলক। সব গণকর্মচারীকেও দিতে হবে।

ধাপে ধাপে বুঝি

  1. ১উপ-ধারা (১), পাঁচটি কারণে বাধ্যতামূলক: (ক) আয়বর্ষের শেষ দিনে মোট সম্পত্তি ৫০ লক্ষ টাকার বেশি; (খ) বছরের যেকোনো সময় মোটরযানের মালিক; (গ) সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সেই বছরে বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টে বিনিয়োগ; (ঘ) বছরের যেকোনো সময় বিদেশে সম্পদের মালিক; (ঙ) কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক।
  2. ২শর্ত: সব গণকর্মচারীকে সম্পদ বিবরণী দিতেই হবে, উপরের পাঁচটির কোনোটি না মিললেও।
  3. ৩কোন সম্পদ দেখাবেন (উপ-ধারা ২–৪): নিবাসী বাংলাদেশি দেখাবেন দেশে ও বিদেশে থাকা সব সম্পদ ও দায়। অনিবাসী বাংলাদেশি আর বিদেশি নাগরিক দেখাবেন শুধু বাংলাদেশে থাকা সম্পদ ও দায়।
  4. ৪স্বেচ্ছায় দেওয়া যায় (উপ-ধারা ৫): বাধ্যতামূলক না হলেও চাইলে দিতে পারেন। পরে বড় কোনো সম্পদ কিনলে টাকার উৎস দেখাতে আগের বছরের বিবরণী খুব কাজে আসে।
  5. ৫পরিবারের সম্পদ (উপ-ধারা ৬): স্বামী বা স্ত্রী আর নাবালক সন্তানের আলাদা TIN না থাকলে, তাদের সম্পদ ও দায়ও আপনার বিবরণীতে দেখাতে হবে।
  6. ৬কর কর্মকর্তা চাইতে পারেন (উপ-ধারা ৭): উপকর কমিশনার লিখিত নোটিশ দিয়ে যেকোনো বছরের বা দাখিলকৃত রিটার্নের সম্পদ বিবরণী চাইতে পারেন, যদি আপনি তা না দিয়ে থাকেন, কর নির্ধারণে তা দরকার মনে হয়, বা দেওয়া বিবরণী ত্রুটিপূর্ণ বা অসম্পূর্ণ মনে হয়।
  7. ৭না দিলে কী হবে (উপ-ধারা ৮): নোটিশ পেয়েও সম্পদ বিবরণী না দিলে আপনার দাখিলকৃত রিটার্নটি অসম্পূর্ণ রিটার্ন গণ্য হবে। তারপর ধারা ১৭৬ অনুযায়ী তা বাতিল বা অকার্যকরও হতে পারে।

মনে রাখুন

  • নিট সম্পত্তি > ৫০ লক্ষ টাকা (বছর শেষে) হলে বাধ্যতামূলক।
  • গাড়ি, সিটি কর্পোরেশনে বাড়ি বা ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ, বিদেশে সম্পদ, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক: বাধ্যতামূলক।
  • সব গণকর্মচারী: বাধ্যতামূলক।
  • নিবাসী: দেশ ও বিদেশের সব সম্পদ; অনিবাসী ও বিদেশি: শুধু বাংলাদেশের সম্পদ।
  • স্বামী বা স্ত্রী ও নাবালক সন্তানের TIN না থাকলে তাদের সম্পদও আপনার বিবরণীতে।
  • নোটিশের পরেও না দিলে রিটার্ন অসম্পূর্ণ।

উদাহরণ ১: সম্পত্তি ৫০ লক্ষের নিচে, কিন্তু গাড়ি আছে

  1. ১তানভীরের মোট সম্পদ ৩৫ লক্ষ টাকা, তার মধ্যে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি।
  2. ২৫০ লক্ষের শর্ত মেলে না, কিন্তু দফা (খ) অনুযায়ী মোটরযানের মালিক হওয়ায় তাকে সম্পদ বিবরণী দিতেই হবে।

উদাহরণ ২: স্ত্রী ও সন্তানের সম্পদ

  1. ১আরিফের স্ত্রীর নামে ১০ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র, আর ১২ বছরের ছেলের নামে ২ লক্ষ টাকার ব্যাংক হিসাব আছে। স্ত্রী বা ছেলে কারো আলাদা TIN নেই।
  2. ২উপ-ধারা (৬) অনুযায়ী এই ১২ লক্ষ টাকার সম্পদও আরিফের সম্পদ বিবরণীতে দেখাতে হবে।
  3. ৩স্ত্রীর আলাদা TIN থাকলে তিনি নিজের রিটার্নে নিজের সম্পদ দেখাবেন, আরিফের বিবরণীতে লাগবে না।

উদাহরণ ৩: প্রবাসী বাংলাদেশি

  1. ১সাবিনা দুবাইয়ে চাকরি করেন এবং এ বছর অনিবাসী। দুবাইয়ে তার একটি ফ্ল্যাট আর ঢাকায় একটি প্লট আছে।
  2. ২অনিবাসী বাংলাদেশি হিসেবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী তিনি শুধু ঢাকার প্লট (বাংলাদেশের সম্পদ) দেখাবেন।
  3. ৩কোনো বছর তিনি নিবাসী হলে (যেমন দেশে ১৮৩ দিনের বেশি থাকলে), তখন দুবাইয়ের ফ্ল্যাটসহ দেশ-বিদেশের সব সম্পদ দেখাতে হবে।

প্র্যাকটিশনারের পরামর্শ

সম্পদ বিবরণী একবার দিলে প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে দিন। এক বছর বাদ দিলে পরের বছরের সম্পদ বৃদ্ধির ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন হয়, আর ২০২৬ থেকে নোটিশের পরেও না দিলে রিটার্নই অসম্পূর্ণ।

সাম্প্রতিক পরিবর্তন

অর্থ আইন, ২০২৪: সম্পত্তির সীমা ৪০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা। অর্থ আইন, ২০২৬: উপ-ধারা (৭) নতুন করে লেখা (উপকর কমিশনার নোটিশ দিয়ে বিবরণী চাইতে পারেন) আর নতুন উপ-ধারা (৮) (নোটিশের পরেও না দিলে রিটার্ন অসম্পূর্ণ)।

বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

নীতি, প্রশাসন, আইন ও হিসাব, চার দিক থেকে

করবর্ষ ২০২৬–২৭ অনুযায়ী

নীতিগত উদ্দেশ্য: আইনটা কেন এমন

সম্পদ বিবরণী হলো আয় গোপনের বিরুদ্ধে প্রধান প্রতিরোধ। আয় লুকানো যায়, কিন্তু গাড়ি, ফ্ল্যাট বা জমি লুকানো কঠিন। তাই বাধ্যবাধকতার শর্তগুলো দৃশ্যমান সম্পদের সাথে যুক্ত। ২০২৪ এ সীমা ৫০ লক্ষ করা মূল্যস্ফীতির সমন্বয়। ২০২৬ এর উপ-ধারা (৭) ও (৮) বিবরণী না দেওয়ার পরিণতি স্পষ্ট করেছে: নোটিশের পরেও না দিলে রিটার্ন অসম্পূর্ণ, আর ধারা ১৭৬ এর মাধ্যমে বাতিল পর্যন্ত গড়াতে পারে।

কর কর্মকর্তার দৃষ্টিতে

বিআরটিএ, রাজউক বা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস আর ব্যাংকের তথ্যের সাথে সম্পদ বিবরণী মেলানো হয়। গাড়ি আছে কিন্তু বিবরণী নেই, এমন রিটার্ন সহজেই চিহ্নিত হয়, আর এখন সরাসরি উপ-ধারা (৭) এর নোটিশ দেওয়া যায়।

আয়কর আইনজীবীর দৃষ্টিতে

উপ-ধারা (৭) এর নোটিশ “যেকোনো আয়বর্ষের” জন্য দেওয়া যায় বলা আছে, তবে কর নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণের সময়সীমা অন্য ধারায় নির্ধারিত, তাই পুরোনো বছরের নোটিশের বৈধতা সেই সময়সীমার আলোকে দেখতে হবে। উপ-ধারা (৮) এর “অসম্পূর্ণ” গণ্য হওয়া আর ধারা ১৭৬(৩)(ক) এর বাতিল, দুটির সম্পর্ক বুঝে জবাব দিন।

হিসাবরক্ষক ও CA এর দৃষ্টিতে

সম্পদের মূল্য দেখান অর্জন মূল্যে, বাজারমূল্যে নয়, আর প্রতি বছর একই পদ্ধতি রাখুন। স্বামী বা স্ত্রী আর নাবালক সন্তানের সম্পদ অন্তর্ভুক্ত করার আগে দেখুন তাদের আলাদা TIN আছে কিনা।

কর পরিকল্পনার দৃষ্টিতে

প্রথমবার সম্পদ বিবরণী দেওয়ার বছরটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সেটাই ভবিষ্যতের ভিত্তি। সব বিদ্যমান সম্পদ সঠিক অর্জন মূল্যে আর সঠিক উৎসে দেখান; পরে এক খাত থেকে আরেক খাতে সরাতে প্রমাণ লাগবে (ধারা ১৭৫(৪))।

জটিল উদাহরণ: নিবাসী থেকে অনিবাসী

  1. ১একজন করদাতা ২০২৪–২৫ এ নিবাসী ছিলেন আর লন্ডনের একটি ফ্ল্যাট সম্পদ বিবরণীতে দেখিয়েছিলেন। ২০২৫–২৬ এ তিনি অনিবাসী।
  2. ২উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী ২০২৫–২৬ এ তিনি শুধু বাংলাদেশের সম্পদ দেখাবেন। কিন্তু পরের বছর নিবাসী হলে লন্ডনের ফ্ল্যাট আবার দেখাতে হবে, আর মাঝের বছরে সেটি বিক্রি বা কেনা হলে তার ব্যাখ্যাও রাখুন।

সাধারণ ভুল

  • গাড়ি থাকলেও ৫০ লক্ষের নিচে বলে বিবরণী না দেওয়া।
  • স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদ বাদ দেওয়া, অথচ তার আলাদা TIN নেই।
  • নিবাসী হয়েও বিদেশের সম্পদ না দেখানো।
  • উপ-ধারা (৭) এর নোটিশ উপেক্ষা করা।

করণীয় চেকলিস্ট

  • পাঁচটি শর্তের কোনোটি প্রযোজ্য কিনা দেখুন, আর গণকর্মচারী হলে সবসময় দিন।
  • নিবাসী অবস্থা অনুযায়ী দেশ বা দেশ-বিদেশের সম্পদ।
  • TIN-হীন স্বামী বা স্ত্রী ও নাবালক সন্তানের সম্পদ অন্তর্ভুক্ত করুন।
  • আগের বছরের শেষ অঙ্কের সাথে শুরুর অঙ্ক মেলান।

এই বিশ্লেষণ Unidara Associates এর শিক্ষামূলক ব্যাখ্যা, NBR এর দাপ্তরিক মত নয়। আপনার নির্দিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে পরামর্শ নিন।

Talk to us

Tell us what you need on WhatsApp or by phone. A licensed practitioner looks at your case and gives you a fixed quote before any work starts.

01317-028002info@unidaraassociates.bd

Have a deadline coming up? Let’s get it filed.

Tell us what you need. A licensed practitioner reviews your case and sends a fixed quote before any work starts.