খণ্ড ১: প্রারম্ভিক
ধারা ৩ — এখ্তিয়ারসম্পন্ন আদালত
Companies Act, 1994 · Section 3
আইনের মূল পাঠ
৩৷ (১) এই আইনের অধীন এখ্তিয়ারসম্পন্ন আদালত হইবে হাইকোর্ট বিভাগ : তবে শর্ত থাকে যে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এবং তৎকর্তৃক নির্ধারিত বাধা-নিষেধ ও শর্তাবলী সাপেক্ষে, এই আইনের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে অর্পিত সমুদয় বা যে কোন ক্ষমতা কোন জেলা আদালতকে অর্পণ করিতে পারিবে; এবং সেইক্ষেত্রে উক্ত জেলা আদালত, সংশ্লিষ্ট জেলায় যে সকল কোম্পানীর নিবন্ধিকৃত কার্যালয় রহিয়াছে সেই সকল কোম্পানীর ক্ষেত্রে, এখ্তিয়ারসম্পন্ন আদালত হইবে। ব্যাখ্যা:- কোন কোম্পানী অবলুপ্তির (winding up) ব্যাপারে জেলা আদালতের এখ্তিয়ার নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, “নিবন্ধিকৃত কার্যালয়” বলিতে কোম্পানীর অবলুপ্তির জন্য দরখাস্ত পেশ করার অব্যবহিত ছয় মাস পূর্বে যে স্থানে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিকৃত কার্যালয় ছিল সেই স্থানকে বুঝাইবে। (২) কেবল যথোপযুক্ত আদালতে কোন কার্যধারা রুজু না হওয়ার কারণে উক্ত কার্যধারাকে এই ধারার কোন কিছুই অবৈধ প্রতিপন্ন করিবে না।
সহজ ভাষায় বুঝুন
মেন্টরের নোট · Unidara Associates
কোম্পানী আইনের মামলার এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের (কোম্পানী বেঞ্চ)। সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনে কোনো জেলা আদালতকে ক্ষমতা দিলে, সেই জেলায় নিবন্ধিত কার্যালয় থাকা কোম্পানির ক্ষেত্রে জেলা আদালতও এখতিয়ারসম্পন্ন।
ধাপে ধাপে বুঝি
- ১উপ-ধারা (১): মূল এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের। অবলুপ্তির (winding up) ক্ষেত্রে “নিবন্ধিত কার্যালয়” মানে আবেদনের ঠিক ছয় মাস আগে যেখানে কার্যালয় ছিল।
- ২উপ-ধারা (২): ভুল আদালতে মামলা শুরু হলেই কার্যধারা অবৈধ হয় না।
মনে রাখুন
- এখতিয়ার: হাইকোর্ট বিভাগ।
- জেলা আদালত শুধু সরকারি প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে।
প্র্যাকটিশনারের পরামর্শ
সংঘস্মারক পরিবর্তন (ধারা ১২), শেয়ার রেজিস্টার সংশোধন (ধারা ৪৩) বা অবলুপ্তির আবেদনে কোন আদালতে যাবেন, এই ধারা দিয়েই ঠিক হয়।
